News

ঈদের ছুটিতে ‘মিনি কক্সবাজারে’ দর্শনার্থীর ভিড়

og_1780239339_6a1c4bebe840a

ঈদের ছুটিতে ‘মিনি কক্সবাজারে’ দর্শনার্থীদের প্রবাহ ঘুরে দেখা গেছে

Bangladailypost.com – ঈদ র ছ ট ত ম ন – ঈদুল আজহার ছুটির সময় ডেমরার ধার্মিক পাড়ায় অবস্থিত জলাশয় কেন্দ্রিক বিনোদন স্পট ‘মিনি কক্সবাজারে’ বিশাল ভিড় দেখা গেছে। রোববার (৩১ মে) বিকেলে সরাসরি দেখা গেছে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত মানুষের সংখ্যা সম্পর্কে। এলাকাটি স্থানীয়ভাবে নামে পরিচিতি পেয়েছে অনেক ক্ষেত্রে নৌভ্রমণ ও বিনোদনের সুবিধা থাকার কারণে।

অবস্থানের পাশাপাশি কয়েকটি পার্ক গড়ে ওঠে। সেখানে শিশুদের জন্য চরকি, দোলনা, ট্রেন বা ছোট নৌকা চালানোর মতো বিভিন্ন খেলনা বিস্তারিত করা হয়েছে। জলাশয়ের সামনে সামগ্রী বিক্রি করতে এলাকা অবিলম্বে স্টল রয়েছে। তবে অনেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা পরিস্থিতি দেখে পুরো উপভোগ আটকে পড়েছে।

পরিবার নিয়ে আসা মানুষের চাপে এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। কোনাপাড়া থেকে ধার্মিক পাড়া পর্যন্ত সড়কে অটোরিকশার অতিরিক্ত চাপ ও অপরিকল্পিত চলাচলের কারণে বিভিন্ন দর্শনার্থী ভোগান্তি পেয়েছেন। যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে না।

আরও তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যে প্রতিটি নৌকা বা প্যাডেল বোটে প্রায় সাড়ে ৩০ মিনিটের জন্য ভাড়া দিতে হয় ৩০০ টাকা। দুটি আলাদা ঘাট থেকে নৌযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাতুয়াইল এলাকার বাসিন্দা রফিকুল হোসেন বলেন, “ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে কাছাকাছি কোথাও যাওয়ার সুযোগ খুব কম। তাই এখানে আমরা আসিছি। রাস্তায় যানজটের কারণে আসতে অনেক সময় লেগেছে। নৌকায় চড়তে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।”

জলাশয়ের চারপাশে শিশুদের জন্য নৌকা চালানোর সুযোগ রয়েছে কিছু স্টলে। পাঁচ মিনিট খেলতে গুনতে হয় ৫০ টাকা। স্লাইডারে ১৫ মিনিট খেলতে লাগে ১০০ টাকা। সাম্পান আকৃতির দোলনায় চড়তে জনপ্রতি ৬০ টাকা দিতে হয়। তবে বিভিন্ন রাইডে দাম তুলনামূলক বেশি হলেও মানুষের আগ্রহ কমছে না। কারণ কাছাকাছি বিকল্প বিনোদনকেন্দ্র নেই।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে দর্শনার্থীদের সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। কোনাপাড়া থেকে ধার্মিক পাড়া পর্যন্ত সড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। অনেকে যানজটে আটকে না থেকে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয়দের

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *