News

তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুননাহার নিম্নির এভারেস্ট জয়

তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুননাহার নিম্মি এভারেস্ট জয় করেছেন ত ত য় ব ল দ শ - ত ত য় ব ল দ শ এ সময় নুরুননাহার নিম্মি এভারেস্টের চূড়ায় সফল আরোহণ করেন।

Desk News
Published May 27, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1779854244_6a166ba438e2d
Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে নুরুননাহার নিম্মি এভারেস্ট জয় করেছেন

Bangladailypost.com – ত ত য় ব ল দ শ – ত ত য় ব ল দ শ এ সময় নুরুননাহার নিম্মি এভারেস্টের চূড়ায় সফল আরোহণ করেন। এই কৃতিত্ব স্থানীয় সময়ের ভোর ৫টা ২৪ মিনিটে ঘটে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই গৌরবময় ঘটনা ঘোষণা করেন বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হাসান শাকিল। তিনি এভারেস্ট জয়ে এই কাজ সম্পন্ন করেছেন এবং দেশের পর্বতারোহণ ইতিহাসে একটি নতুন স্তর সৃষ্টি করেছেন।

অভিযানের প্রস্তুতি ও কার্যক্রম

নিম্মি চূড়ান্ত লক্ষ্যে গত ২৫ মে ক্যাম্প-২ (৬ হাজার ৪০০ মিটার) থেকে যাত্রা শুরু করেন। রাতে ক্যাম্প-৩ (৭ হাজার ২০০ মিটার) এ অবস্থান করেন। পরদিন ভোরে ক্যাম্প-৪ এ পৌঁছে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশ্রাম নিয়ে চূড়া ছোঁয়ার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেন। সারারাত দুর্গম পথ পেরিয়ে চূড়ায় পৌঁছান এবং বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উত্তোলন করেন। তার সাথে ছিলেন দাওয়া নুপু শেরপা এবং লাকপা থিনদুক শেরপা। তাদের এই যৌথ চেষ্টার প্রতিফলন দেখা গেল বাংলাদেশের মাটির উপর ক্ষীণ হাওয়ায় ক্ষীণ হাওয়ায় আরোহণের স্বাদ খাওয়া হয়।

বাংলাদেশের অভিযাত্রী নুরুননাহার নিম্মি এভারেস্ট জয়ের এই অনন্য কৃতিত্বে দেশের পর্বতারোহণের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে।

ত ত য় ব ল দ শ এ সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকে নুরুননাহার নিম্মির সফলতা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেছেন যার পর বছরে আরও দুই মহিলা এই পদক অর্জন করেছেন। তিনি অপেক্ষাকৃত কঠিন পর্যায়ে ক্ষীণ হাওয়ায় দেশের পর্বতারোহণ ইতিহাসে একটি নতুন স্তর সৃষ্টি করেছেন। এই কৃতিত্ব বাংলাদেশের পর্বতারোহীদের প্রতি আনুরূপ ভাবনা ও অনুপ্রেরণা বৃদ্ধি করেছে।

নিম্মি এভারেস্ট জয়ে যাওয়ার জন্য প্রায় দুই বছরের সময় ব্যয়িত হয়। এ সময় তিনি অনেক প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষা করেছেন। তার মূল লক্ষ্য ছিল পর্বতারোহণ সম্পর্কে দেশের পরিচিতি বৃদ্ধি করা। তিনি দেশের গৌরব অর্জনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ত ত য় ব ল দ শ এ নিজেকে প্রমাণ করেছেন।

তার আগের সাফল্য এবং অনুপ্রাণিত অভিযান

তিনি পর্বতারোহণের একজন অভিজ্ঞ ক্লাবের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন। বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাবের সদস্য হিসেবে নিম্মি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ত ত য় ব ল দ শ এ সংগঠিত অভিযানে সহযোগিতা করেছেন। তার আগে বাংলাদেশের অভিযাত্রী মুসা ইব্রাহীম এবং এম এ মুহিত যথাক্রমে ২০১০ ও ২০১১ সালে এভারেস্ট জয় �

Leave a Comment