News

কাদাপানিতে মাখামাখি হাট, দরদামে মিলছে না ক্রেতা-বিক্রেতার

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র একদিন ক দ প ন ত ম খ - রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে হাট আটকা পড়েছে কাদার মধ্যে ভাসতে। ক্রেতা ও

Desk News
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1779812260_6a15c7a490d53
Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র একদিন

Bangladailypost.com – ক দ প ন ত ম খ – রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে হাট আটকা পড়েছে কাদার মধ্যে ভাসতে। ক্রেতা ও বিক্রেতারা বিপর্যস্ত হয়েছেন এই অবস্থার কারণে। দরদামে ক্রেতারা বিক্রি করতে চাচ্ছেন না বলে কিছু ব্যাপারি জানান।

হাটে যানজট ও অব্যবস্থাপনা

শনির আখড়া হাটে গরু ও ছাগলের সরবরাহ কোনো ঘাটতি হয়নি। তবে যানজট এবং অব্যবস্থাপনার কারণে হাটে আসা ক্রেতারা কিছু সমস্যা ভোগ করছেন। এ বিষয়ে কয়েকজন ব্যাপারি অভিযোগ করেন যে হাট ইজারাদাররা হাজার হাজার টাকায় ইজারা নিলেও বৃষ্টি পানি সরানোর কোনো কার্যকর ব্যবস্থা রাখেননি।

আগের দিন সোমবার দুপুরে রাজধানীতে বৃষ্টি নামলে হাটের পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে পড়ে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা ব্যাপারিরা কাদার মধ্যে আটকা পড়েন। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও গোড়ালি পর্যন্ত পানি জমা হয়েছে। ক্রেতারা দূর থেকেই দাম জিজ্ঞাসা করে সরে যাচ্ছেন।

বিক্রয় হচ্ছে না দরদামে

মেরাজনগরের বাসিন্দা আবির হোসেন জানান যে তিনি দুই ঘণ্টা ধরে মাঝারি আকারের গরু খুঁজছেন। তার সর্বোচ্চ বাজেট এক লাখ ৬০ হাজার টাকা হলেও পছন্দের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে আড়াই লাখ টাকা। তিনি এখন ভাগে দেওয়ার কথা ভাবছেন।

আয়ুব বলেন, তার পরিবারের বাজেট দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। কিন্তু পছন্দের গরুগুলোর দাম সাড়ে তিন থেকে চার লাখ চাওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী ও তার পরিবারের সদস্যরা শনির আখড়ায় লাল রঙের গরু পছন্দ করলেও দামে মিলছিল না। দুই লাখ টাকা দিলেও বিক্রেতা তিন লাখ চাইছিলেন।

কাদাপানিতে বিক্রয় হচ্ছে না দরদামে। হাটে আসা কুষ্টিয়া, মাদারীপুর, জামালপুর ও ফরিদপুর থেকে আসা ব্যাপারিরা পরিস্থিতির কারণে বিপাকে পড়েছেন। রাজবাড়ী কালুখালী থেকে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, “গরুপ্রতি ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা কম বলছেন ক্রেতারা। সেই দামে বিক্রি করা সম্ভব নয়।”

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থেকে আসা মো. ইয়াদাত হোসেন জানান যে তিনি ১৪টি গরু নিয়ে এসেছিলেন। এখনো বিক্রি হয়নি ৯টি। তিনি বলেন, “টার্গেট অনুযায়ী গরু বিক্রি হচ্ছে না। গ্রামের তুলনায় এখানে দাম কম। এই লাল রঙের গরুটি কিনেছি এক লাখ ৭০ হাজার টাকায়, এখন দাম বলে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা।”

গাড়ির ভাড়া পড়েছে গরুপ্রতি এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা। গরু বিক্রি করবো কীভাবে?’ জামালপ

Leave a Comment