চিফ প্রসিকিউটর / হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে অনুমতি লাগবে কি না, সেটা ভারতের বিষয়
চ ফ প রস ক উটর হ - আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম রোববার (১৬ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে স্পষ্ট করে
Table of Contents
হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতীয় আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন কি না — তা নবীন দেশের সিদ্ধান্ত: চিফ প্রসিকিউটর
Bangladailypost.com – চ ফ প রস ক উটর হ – আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম রোববার (১৬ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে স্পষ্ট করে বলেছেন, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত আনার ক্ষেত্রে ভারতীয় আদালত কি সরকার অনুমতি দেবে — এই প্রশ্ন সম্পূর্ণভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে এই মন্তব্য আসে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস খবরের প্রতি স্পষ্ট অবস্থান
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে চিফ প্রসিকিউটর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে বলেন, সেই খবরে বলা হয়েছে বাংলাদেশে হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করতে গেলে ভারতীয় আদালতের অনুমোদন দরকার। তিনি এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন:
আমিও দেখলাম যে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস নামে একটি কাগজ, তারা একটা নিউজ করেছে যে শেখ হাসিনাকে যদি বাংলাদেশে এক্সট্রাডিশন (প্রত্যর্পণ) করতে হয়, সে ক্ষেত্রে ভারতীয় আদালতের অনুমোদন লাগবে। সেটা… সেটা তাদের দেশের বিষয়।
এরপর তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশ সরকার পক্ষ থেকে আইনগত প্রক্রিয়া ঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ভারতীয় কর্মকর্তারা কোন পথে এগোবে — আদালতের অনুমতি নেবে নাকি সরাসরি সরকারি অনুমোদনে পাঠাবে — তা সম্পূর্ণ তাদের সিদ্ধান্ত।
কিন্তু আমরা শেখ হাসিনাকে আনার জন্য আমাদের যে আইনগত প্রক্রিয়া, সেইভাবেই আমাদের বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সেই আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানকার ইন্ডিয়ান অফিশিয়ালস (কর্মকর্তারা) তারা কী পদক্ষেপ নেবে, কী প্রক্রিয়া নেবে, তারা কোর্টের অনুমোদন নেবে না সরকারের অনুমোদন দিয়ে পাঠাবে—এটা তাদের ব্যাপার।
ডিসেম্বর মেয়াদ ও দ্রুত ফেরতের দাবি
চিফ প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন এবং একটিতে তিনি ইতোমধ্যে দণ্ডপ্রাপ্ত। হাসিনা নিজেই ডিসেম্বরে ফেরত আসার কথা বলেছেন। তবে চিফ প্রসিকিউটর মনে করেন, ভারতীয় সরকারকে তাকে আরও আগেই পাঠানো উচিত, কারণ বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে সময় অপচয় গ্রহণযোগ্য নয়।
সেই নিউজের ব্যাপারে এর বেশি বলার কিছু নাই। বিষয়টা হচ্ছে যে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেহেতু বাংলাদেশে অনেকগুলো মামলা বিচারাধীন, একটাতে উনি দণ্ডপ্রাপ্ত… তিনি নিজেও বলেছেন ডিসেম্বরে তিনি আসবেন। আমরা মনে করি যে, তাকে এর আগেই পাঠানো উচিত ইন্ডিয়ান গভর্নমেন্টকে। যেহেতু তিনি বাংলাদেশের আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত। তো সেই ক্ষেত্রে এখন যে নিউজটা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস করেছে যে কোর্টের অনুমোদন লাগবে, সেটি আমার মনে হয় তাদের বিষয়।
রাজনৈতিক আশ্রয়ের প্রশ্নে তিনি বলেন, ভারতীয় আদালতে হাসিনার পক্ষে কোনো পলিটিক্যাল অ্যাসাইলাম আছে কি না — তা বাংলাদেশের জানা নেই। তাই গণমাধ্যমের বক্তব্যের ওপর আর কিছু বলার সুযোগ নেই। তাদের একমাত্র অবস্থান: হাসিনা দণ্ডপ্রাপ্ত এবং তাকে বাংলাদেশে ফিরতে হবে।
এক্সট্রাডিশন চুক্তির প্রেক্ষাপট
প্রত্যর্পণ চুক্তি নিয়ে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বহুবার আলোচনা হয়েছে এই বিষয়ে। বিদ্যমান ট্রিটির আওতায় আগেই অনুপ চেটেজিকে বাংলাদেশ থেকে ভারত নিতে পেরেছে। তবে হাসিনা ভারতে কী অবস্থানে আছেন, সেই জায়গা থেকে ভারতীয় সরকার এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়নি। বাংলাদেশ সরকার যখন এই বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করেছে, তখনও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর আসেনি বলে তিনি জানিয়েছেন।
এক্সট্রাডিশন চুক্তিতে তো আমাদের বহুবার বহু কথাবার্তা হয়েছে। সেটা হচ্ছে যে, এক্সট্রাডিশন বন্দি বিনিময় চুক্তির যে ট্রিটি (চুক্তি) আমাদের সঙ্গে আছে ভারতের, এর আগেও তো আপনারা দেখবেন যে, অনুপ চেটেজিকে তো আমাদের দেশ থেকে তারা নিয়েছে। এখন শেখ হাসিনা ইন্ডিয়াতে কী অবস্থানে আছে, সেই জায়গা থেকে ভারতীয় সরকার খুব পরিষ্কার করে তো কোনো ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত দেয় নাই। অথবা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যখন চাওয়া হয়েছে এই বিষয়ে, এখন পর্যন্ত ভারত সরকার কোনো ব্যাখ্যা দিয়েছে বলে আমার জানা নাই।
তো যাই হোক, সেটা এক্সট্রাডিশন চুক্তিতে যেভাবে আছে, সেভাবেই আমাদের বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে চাওয়া হয়েছে। সেটা আমাদের দেখতে হবে যে, ইন্ডিয়ান সরকার কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া
এদিকে একই দিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র শহীদুল করিম জানান, বাংলাদেশ ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের দ্রুত প্রত্যর্পণের জন্য আবেদন করেছে। পাশাপাশি শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের বাংলাদেশে হস্তান্তরেরও দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভারতের উত্তরের অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is চ ফ প রস ক উটর হ?
চ ফ প রস ক উটর হ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does চ ফ প রস ক উটর হ matter?
চ ফ প রস ক উটর হ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.