Politics

সমাধান আমাদের হাতে কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে, প্রধানমন্ত্রীকে হাসনাত

সম ধ ন আম দ র হ - শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করে সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ

Desk Politics
Published August 16, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1786811759_6a80956fef1cc
Foto : John Jones - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. হাসনাত আব্দুল্লাহর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ: সমাধান আমাদের, ক্ষমতা আপনার
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

হাসনাত আব্দুল্লাহর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ: সমাধান আমাদের, ক্ষমতা আপনার

বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ছয় মাসের আলটিমেটামের জবাব

Bangladailypost.com – সম ধ ন আম দ র হ – শনিবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করে সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, সমাধানের পথ আমাদের হাতেই রয়েছে, তবে ক্ষমতার দায়িত্ব আপনারা বহন করছেন।

প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।

ইতোমধ্যে টেবিলে থাকা সমাধান

হাসনাত আব্দুল্লাহর মতে, চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রীর জানা উচিত ছিল যে সমাধানের পথ ইতোমধ্যেই তৈরি। এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম মোট পনেরোটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছেন। এই প্রস্তাবগুলো তিনটি ধাপে বিভক্ত—তিনো দিনের জন্য পাঁচটি, ছয় থেকে আঠারো মাসের জন্য ছয়টি এবং দীর্ঘমেয়াদে চারটি।

বিরোধীদলীয় সদস্যরা ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যান এবং ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য রেখেছেন। নাগরিক সমাজ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকেও মতামত এসেছে। জাতীয় দৈনিকে এগুলো ছাপা হয়েছে এবং সেমিনারে আলোচিত হয়েছে।

মন্ত্রিসভার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে মোট ষাট দুই জনের সভাসদ। হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি। গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম।

প্রশ্নটা এখন আর নীতির নয়, বরং এই টিমের যোগ্যতা ও কার্যকারিতার। তিনি প্রধানমন্ত্রীর ডাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তার কাছে পৌঁছানোর ব্যর্থতাকে লজ্জার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন।

দলীয় পদায়নে ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি হারানো

ছয় মাসে প্রশাসনে যে হারে দলীয় পদায়ন হয়েছে, তাতে ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত।

সচিবালয়ে যারা এসেছেন তারা নতুন, অনভিজ্ঞ, এবং লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন। মহেশখালী এফএসআরইউতে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।

মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নের দাবি

আজ আমরা একটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি। সরকার বলছে ডলার ও বকেয়ার কারণে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছেন না কেন?

এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদক সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে, দর দুই পক্ষ ঠিক করে, বিইআরসি কেবল অবহিত থাকে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক টাকাও লাগে না। বাকি কাজ কেবল এসএলএ ফরম্যাট ও হুইলিং চার্জ চূড়ান্ত করা, যা কয়েক সপ্তাহের প্রশাসনিক কাজ, রকেট সায়েন্স নয়।

প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলার আগেই আমরা সমাধান দিয়েছি। আপনারা সেটা পড়ার দরকার মনে করেননি কিংবা আপনার কাছে পৌঁছানো হয়নি। তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের।

মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি। হাসনাত আব্দুল্লাহ পুনরাবৃত্তি করছেন—প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলে না। এটা হচ্ছে ‘আই হ্যাভ নো প্ল্যান’ এর টেস্টিং।

একটি প্র্যাক্টিসিং ডেমোক্রেসিতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে আলটিমেটাম বা চ্যালেঞ্জ দেওয়া নয়, বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে, সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়ল!

এই রাষ্ট্র কেনো অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো? সবশেষে, হাসনাত আব্দুল্লাহ তার পোস্টে লিখেছেন—সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল।

Frequently Asked Questions

What is সম ধ ন আম দ র হ?

সম ধ ন আম দ র হ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does সম ধ ন আম দ র হ matter?

সম ধ ন আম দ র হ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment