মাগুরার শিশু ধর্ষণ-হত্যা / ফাঁসির আসামি হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ
ম গ র র শ শ ধর - মাগুরার আট বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স আপিলের শুনানির জন্য হাইকোর্ট নতুন আইনজীবী নিয়োগ করেছেন।
Table of Contents
মাগুরা শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় নতুন আইনজীবী
Bangladailypost.com – ম গ র র শ শ ধর – মাগুরার আট বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স আপিলের শুনানির জন্য হাইকোর্ট নতুন আইনজীবী নিয়োগ করেছেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এই মামলায় মাগুরা শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলার আসামির পক্ষে নতুন আইনজীবী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক জানান, আসামিপক্ষের বর্তমান আইনজীবী আদালতে জানান যে তিনি এই মামলা থেকে সরে যাচ্ছেন এবং এনওসিও জমা দিয়েছেন। এরপর আদালত হাফিজুর রহমান খানকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেন।
ঘটনার বিস্তারিত
গত বছরের ৫ মার্চ রাত্রে রমজানের ছুটিতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুলী এলাকার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, বরং হত্যারও চেষ্টা চালান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় আট বছর বয়সী শিশুটির।
এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আলোচিত মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।
বিচারিক কার্যক্রমের বিবরণ
২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল। মামলার রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। গত বছরের ৭ মে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় আলোচিত মামলার বিচারিক কার্যক্রম।
এক বছর আগে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই বছরের ১৭ মে রায়ে ঘোষণা করা হয়।
শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) ও সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।
উচ্চ আদালতে মামলার যাত্রা
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়। পরে সব যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রস্তুতের পর পেপারবুক ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকাভুক্ত হয়।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
মাগুরা শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় কতজন আসামি ছিল? এই মামলায় মোট চারজন আসামি ছিল। প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হয়। বাকি তিনজন খালাস পান।
ডেথ রেফারেন্স মানে কী? ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। একে ডেথ রেফারেন্স বলা হয়।
নতুন আইনজীবী কে? আসামিপক্ষের বর্তমান আইনজীবী এনওসি জমা দেওয়ার পর আদালত হাফিজুর রহমান খানকে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
মামলার বিচার কতদিনে শেষ হয়? মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ মে রায়ে ঘোষণা করা হয়।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ম গ র র শ শ ধর?
ম গ র র শ শ ধর is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ম গ র র শ শ ধর matter?
ম গ র র শ শ ধর matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.