Economy

ভল্ট থেকে টাকা ‘উধাও’ / দুদক আইনের মামলা থানায় রেকর্ড নিয়ে ধোঁয়াশা!

ভল ট থ ক ট ক উধ - চট্টগ্রামের অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির লালদীঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার ভল্ট থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা হারানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। ওই শাখার

Desk Economy
Published August 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1786668504_6a7e65d8f3ef1
Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. ব্যাংক ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও: মামলা রেকর্ডে প্রশ্ন উঠেছে
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

ব্যাংক ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও: মামলা রেকর্ডে প্রশ্ন উঠেছে

Bangladailypost.com – ভল ট থ ক ট ক উধ – চট্টগ্রামের অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির লালদীঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার ভল্ট থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা হারানোর ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনা চলছে। ওই শাখার ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা অপসারিত হওয়ার খবর সামনে আসার পর থেকেই বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এ ঘটনা। মামলাও দায়ের হয়েছে এবং দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবুও অনেক বিষয় এখনও অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

মামলা রেকর্ডে ত্রুটি ও ধোঁয়াশা

গত ১০ আগস্ট নগরীর কোতোয়ালি থানায় এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়। তবে মামলায় ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জকে আসামি করা হলেও এফআইআর-এ তার ব্যাংকার পরিচয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়াও সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি সম্পদ আত্মসাতের ঘটনাটি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইনের অন্তর্ভুক্ত অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও থানা মামলা হিসেবে রেকর্ড হওয়া নিয়ে সমালোচনা উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, থানা মামলা রেকর্ড করার সময় অধিক গুরুত্বপূর্ণ দুদক আইনের ক্ষমতার অপব্যবহারের ধারা এবং মানি লন্ডারিং আইনের ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে। এজাহারে ১৫ মাস ধরে চলমান অপরাধমূলক লেনদেনের কথা বলা হলেও শাখা ব্যবস্থাপককে আসামি করা হয়নি।

দায়েরকৃত মামলার বিস্তারিত

অগ্রণী ব্যাংকের ওই ঘটনায় গত ১০ আগস্ট ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ বাদী হয়ে ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জ কামরুল হোসেন (৪১) এবং হাটহাজারী এলাকার ব্যবসায়ী মো. জাফরুল্লাহ তানভীরসহ (২৫) অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ২২। দণ্ডবিধির ৪০৮, ৪২০ এবং ৩৪ ধারা উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করা হয়। ঘটনার সময়কাল হিসেবে ২০২৫ সালের ১ জুন থেকে ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন তারিখ ও সময় উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যাংকটির লালদীঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার সিনিয়র অফিসার এবং ক্যাশ ইনচার্জ কামরুল হোসেন ব্যাংকের ক্যাশ ও ভল্টের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। গত ৯ আগস্ট শাখার নিয়মিত ব্যাংকিং ও লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর শাখার নগদ অর্থের হিসাব এবং ভল্টে সংরক্ষিত নগদ অর্থের হিসাব মেলানোর সময় হিসাবের সঙ্গে বাস্তবে সংরক্ষিত নগদ অর্থে গরমিল পরিলক্ষিত হয়। পরিকল্পিতভাবে মামলা রেকর্ড হওয়ার দিনেই এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে পুলিশে সোপর্দ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে জাফরুল্লাহ তানভীরকে আগেই কামরুল হোসেনের মাধ্যমে ব্যাংকে ডেকে আনা হয়েছিল।

আদালতে হাজিরা ও কারাগারে পাঠানো

ওই দুই আসামিকে চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ৯ আগস্ট শাখার নিয়মিত ব্যাংকিং ও লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার পর শাখার নগদ অর্থের হিসাব এবং ভল্টে সংরক্ষিত নগদ অর্থের হিসাব মেলানোর সময় হিসাবের সঙ্গে বাস্তবে সংরক্ষিত নগদ অর্থে গরমিল পরিকল্পিত হয়। পরে শাখার প্রাথমিক হিসাব-নিকাশ, ভল্টের হিসাব, সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র ও অন্যান্য নথি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় যে, ভল্টে সংরক্ষিত নগদ অর্থের মধ্যে মোট ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ঘাটতি রয়েছে।

পরে ক্যাশ ও ভল্টের দায়িত্বে নিয়োজিত কামরুল হোসেনকে ব্যাংকের হিসাবে গরমিলের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। এতে প্রতীয়মান হয় যে, অজ্ঞাতনামা বিবাদীদের সহায়তায় কামরুল হোসেন উক্ত ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দায়িত্বাধীন থাকাবস্থায় ব্যাংকের ভল্ট থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা স্থানান্তর করে ২নং বিবাদীর (মো. জাফরুল্লাহ তানভীর) নিকট ব্যবসায়িক বিনিয়োগ/ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন।

আইনজীবীদের মতামত

কোতোয়ালি থানা রেকর্ড হওয়া মামলা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলে এ বিষয়ে সিএমপি, দুদকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং বেশ কয়েকজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। চট্টগ্রাম বিশেষ জজ আদালতে দুদকের সাবেক স্পেশাল পিপি, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী ছানোয়ার হোসেন লাভলু জাগো নিউজকে বলেন:

ব্যাংকের টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে আত্মসাৎ হলে মামলাটি থানা রেকর্ড হওয়ার সুযোগ নেই। এসব ঘটনা দুদকের তফসিলভুক্ত অপরাধ। এসব মামলা দুদকে রেকর্ড হয়। এ ঘটনার ৪০৮ ধারার মামলা চলবে না। এখানে দুদক আইনের ক্ষমতার অপব্যবহার, মানি লন্ডারিং আইন এবং দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার মামলাটি রেকর্ড হওয়ার কথা। থানা অপেক্ষাকৃত দুর্বল ধারার মামলা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, থানা ইচ্ছে করেই মানি লন্ডারিংয়ের ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে। আসামি তো ব্যাংকার। তার বিরুদ্ধে সাধারণ অর্থ আত্মসাতের মামলা নেওয়ার সুযোগ নেই। ৪০৯, মানিলন্ডারিং এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের ধারার মামলা সুনির্দিষ্টভাবে দুদকে রেকর্ড হবে। এখানে থানা অভিযোগ গেলে, সংশ্লিষ্ট থানা বিষয়টি জিডি আকারে নিয়ে অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট দুদক কা

Frequently Asked Questions

What is ভল ট থ ক ট ক উধ?

ভল ট থ ক ট ক উধ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ভল ট থ ক ট ক উধ matter?

ভল ট থ ক ট ক উধ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment