Law Courts

লাল চাঁদকে মাথা থেঁতলে হত্যা: আদালতে যে বর্ণনা দিলেন ৩ প্রত্যক্ষদর্শী

ল ল চ দক ম থ থ - পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় ব্যবসায়ী লাল চাঁদ বা সোহাগকে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে মাথা চাপা দিয়ে হত্যা করার ঘটনায় আদালতে তিনজন

Desk Law Courts
Published August 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1786675918_6a7e82ceea9de
Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে তিন সাক্ষীর আদালতে বক্তব্য
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যাকাণ্ডে তিন সাক্ষীর আদালতে বক্তব্য

Bangladailypost.com – ল ল চ দক ম থ থ – পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় ব্যবসায়ী লাল চাঁদ বা সোহাগকে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে মাথা চাপা দিয়ে হত্যা করার ঘটনায় আদালতে তিনজন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আলমগীর হোসেনের আদালতে তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

সাক্ষীদের পরিচয় ও বক্তব্য

সাক্ষীদের মধ্যে একজন হলেন ঘটনার সাক্ষী মো. বাবুল। অন্য দুজন সোহাগের ‘সোহানা মেটাল’ প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী মো. হাসান ও মো. ইসমাইল। আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাৎ আলী জানান, সাক্ষ্যগ্রহণের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীদের জেরা করেন।

মো. ইসমাইল আদালতে বলেন, হত্যাকাণ্ডের দুদিন আগে গত বছরের ৭ জুলাই সন্ধ্যায় বরন রজনী বোস লেনে সোহাগের গোডাউন তালাবদ্ধ করে দেয় কয়েকজন ব্যক্তি।

তাদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান মঈন ও সারোয়ার হোসেন টিটুসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জন ছিলেন। এরপর সোহাগ তার দোকানে আসেন এবং বিষয়টি নিয়ে আপোস-মীমাংসার কথা থাকলেও তা হয়নি।

সাক্ষী ইসমাইল জানান, ৯ জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি সোহাগের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এসময় মঈন, টিটুসহ আরও কয়েকজন দোকানের সামনে আসেন।

গোডাউনের তালা কে ভেঙেছে—এ নিয়ে সোহাগকে প্রশ্ন করা হয়। সোহাগ নিজের গোডাউন হওয়ায় নিজেই তালা ভেঙেছেন বলে জানালে তাকে গালিগালাজ করা শুরু হয়। একপর্যায়ে সোহাগ উঠে দাঁড়ালে মাহমুদুল হাসান মঈন তার জামার কলার ধরে টেনে দোকান থেকে বের করে দেন।

হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা

সাক্ষী ইসমাইলের ভাষ্য অনুযায়ী, উপস্থিত অন্যরাও তাকে মারধর করতে শুরু করেন। মারধর করতে করতেই সোহাগকে মিটফোর্ড হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি।

একপর্যায়ে আসামিরা তাকেও ভয় দেখিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী মো. বাবুল ও সোহাগের দোকানের আরেক কর্মচারী মো. হাসানও আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত থাকার কথা জানান। তারাও ঘটনার বিষয়ে প্রায় একই ধরনের বর্ণনা দেন।

মামলার বিবরণ ও পরবর্তী কার্যক্রম

২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিকেলে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে ভাঙারি ও পুরোনো তারের ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে হত্যা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে শরীর ও মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়।

ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার জটিল ও নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে সোহাগের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। তাদের কয়েকজন একসময় তার ব্যবসার সহযোগীও ছিলেন।

ব্যবসায়িক বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে সেসময় ধারণা করা হয়েছিল। এর আগে গত ৩ আগস্ট এ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ওইদিন নিহত সোহাগের বড় বোন এবং মামলার বাদী মঞ্জুরারা বেগম আদালতে সাক্ষ্য দেন।

গত ১২ জুলাই একই আদালত ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বর্তমানে ১০ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। আটজন পলাতক ও তিনজন জামিনে আছেন। আগামী ২৩ আগস্ট মামলাটিতে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

Frequently Asked Questions

What is ল ল চ দক ম থ থ?

ল ল চ দক ম থ থ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ল ল চ দক ম থ থ matter?

ল ল চ দক ম থ থ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment