Campus

শাবিপ্রবিতে র‌্যাগিং / মেয়ে সাজিয়ে প্রপোজ, যৌনতাপূর্ণ কবিতা পাঠ করিয়ে বিকৃত অভিনয়

শ ব প রব ত র য - শাবিপ্রবিতে নতুন র‌্যাগিং অভিযোগ উঠেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে মেয়ে সাজিয়ে

Desk Campus
Published August 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
og_1786620078_6a7da8aebe521
Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. শাবিপ্রবিতে র‌্যাগিং: মেয়ে সাজে ছেলেরা, যৌনতাপূর্ণ কবিতা
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

শাবিপ্রবিতে র‌্যাগিং: মেয়ে সাজে ছেলেরা, যৌনতাপূর্ণ কবিতা

Bangladailypost.com – শ ব প রব ত র য – শাবিপ্রবিতে নতুন র‌্যাগিং অভিযোগ উঠেছে। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে মেয়ে সাজিয়ে র‌্যাগ দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। এসময় তাদের যৌনতাপূর্ণ কবিতার তালে তালে আপত্তিকর ও বিকৃত অভিনয় করানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে মানসিক নির্যাতন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে অভিযোগ জানিয়েছেন র‌্যাগিংয়ের শিকার এক শিক্ষার্থী। অভিযোগের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হল সংলগ্ন বড়গুল এলাকার রিপন ছাত্রাবাসে ঘটনাটি ঘটে। সেখানে প্রথম বর্ষের চার শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ চার ঘণ্টা আটকে রেখে র‌্যাগ দেওয়া হয়। অভিযুক্তরা হলেন বাংলা বিভাগের গোলজার, অর্থনীতি বিভাগের সোলাইমান কবির, শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের সাব্বির, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের মারুফ ও আবু রাহমান এবং পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তীব্র।

র‌্যাগিংয়ের শিকার হওয়া চার শিক্ষার্থী হলেন সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের নাসির, শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের গোলাম মোর্শেদ ও শাহাদাত হোসেন সাগর, বাংলা বিভাগের জিয়াউর রহমান। তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগীদের বক্তব্য

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী একজন শিক্ষার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাকে একটি চেয়ারের সামনে দাঁড় করিয়ে সেটিকে মেয়ে কল্পনা করে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কবিতার তালে অভিনয় করতে বাধ্য করা হয়। আমি তখন খুবই ভেঙে পড়েছিলাম, কান্না চলে আসছিল। তবুও তারা অভিনয় করতে বারবার চাপ দিচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে আমি মানসিকভাবে অনেক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি, এখনো সেই ট্রমা কাটিয়ে উঠতে পারিনি।’ ভুক্তভোগী আরেক শিক্ষার্থীর ভাষ্য, ‘একজনের জন্মদিন উপলক্ষে আমাদেরকে নিয়ে বসার কথা বলে ছয়জন সিনিয়র আমাদের র‌্যাগ দেয়। প্রথমে চারজনকে বিভিন্ন ধরনের নাচ করতে বাধ্য করা হয়। কেউ ভুল করে হাসলে তাকে পা তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে বলা হয়। পরে বিভিন্ন ধরনের কান্নার অভিনয় করানো হয়। একজনকে গামছার মাধ্যমে মেয়ে এবং আরেকজনকে ছেলে সাজিয়ে প্রপোজ করার অভিনয় করানো হয়। এরপর বিভিন্ন অশালীন ও প্রাপ্তবয়স্কদের কবিতা জোরে জোরে পড়তে বলা হয়। একজনকে আপত্তিকর শব্দ বা যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ শব্দ করতে বাধ্য করা হয়।’

অভিযুক্তদের প্রতিক্রিয়া

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সোলাইমান কবিরকে কল দিলে তিনি ফোন কেটে দেন। অভিযুক্ত আরেক শিক্ষার্থী আবু রাহমান বলেন, ‘সেখানে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু যে অভিযোগগুলো আসছে, সেগুলো কিছু হয়েছে। তবে আমি এগুলো করিনি। এগুলো করেছে আইপি বিভাগের সাব্বির।’ সাব্বিরকে কল দিয়ে অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞেস করতেই ফোন কেটে দেন। অভিযুক্ত আরেক শিক্ষার্থী মারুফ বলেন, ‘আমাদের নিজেদের ঘটনা নিজেরা সমাধান করে নিয়েছি।’

প্রক্টর অফিসের বিবৃতি

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘র‌্যাগিংয়ের বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। আজ প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে বসেছি। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

শাবিপ্রবিতে র‌্যাগিংয়ের পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? প্রক্টর অফিস জানিয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কতজন শিক্ষার্থী র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন? চারজন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী র‌্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন।

ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে? শাবিপ্রবি সৈয়দ মুজতবা আলী হল সংলগ্ন রিপন ছাত্রাবাসে ঘটনাটি ঘটেছে।

এসএইচ জাহিদ/এসআর/জেআইএম

Frequently Asked Questions

What is শ ব প রব ত র য?

শ ব প রব ত র য is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does শ ব প রব ত র য matter?

শ ব প রব ত র য matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment