১৫ শতাংশ ঘুস না দেওয়ায় ঠিকাদারের হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ
১৫ শত শ ঘ স ন দ - ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ও তার সহযোগী মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক ঠিকাদারকে মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়ার
Table of Contents
নগরকান্দায় ঘুস না দেওয়ায় ঠিকাদারের হাত ভাঙার অভিযোগ
Bangladailypost.com – ১৫ শত শ ঘ স ন দ – ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ও তার সহযোগী মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক ঠিকাদারকে মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার হাসিবুল হাসান আব্দুল্লাহ বলেন, বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। প্রথমে তাকে নগরকান্দা হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘুস দাবি ও বিল আটকে রাখা
আহত ঠিকাদারের অভিযোগ, সৈয়দা জাহানারা এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে ২০২৩ সালে আইইউআইডিপি প্রকল্পের আওতায় তিনটি সড়কের আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। ওই কাজের বিল আট মাস আগে অনুমোদন হলেও তা আটকে রাখা হয়েছে। বিল ছাড়ার জন্য পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির তার কাছে ১৫ শতাংশ ঘুস দাবি করেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) আমি পাঁচ লাখ টাকা দিয়েছি। এর মধ্যে আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে বিল আটকে রেখে আমাকে হারানি করা হচ্ছিল।
বুধবার দুপুরে আটকে থাকা বিলের বিষয়ে কথা বলতে পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষে গেলে হুমায়ুন কবির ও তার সহযোগী মোসলেম উদ্দিন তাকে জিআই পাইপ দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার হাত ভেঙে যায়।
অভিযোগ অস্বীকার ও তদন্তের ঘোষণা
অভিযোগ অস্বীকার করে নগরকান্দা পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ঠিকাদারের কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। যে কারণে বিল দেওয়া হচ্ছে না। পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা ছিল, কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিল না দেওয়ার। এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ঠিকাদার প্রথমে তাদের কক্ষে এসে তাদের ওপর হামলা করেন। ঠিকাদারকে মারধর ও জিআই পাইপ দিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ মোটেও সত্য নয়।
নগরকান্দা পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন বলেন, ঠিকাদারের বিলের বিষয়টি তিনি অবগত। তবে কাজের অসঙ্গতি পাওয়ায় কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিল দিতে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষে ঠিকাদার কী কারণে গিয়েছিলেন, তা জানা নেই। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চিকিৎসকের বিবরণ
নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস এম ইফতেখার আজাদ জানান, মারামারিতে আহত একজন রোগী তাদের হাসপাতালে এসেছিলেন। তার হাতে নিলাফুলা জখম ও আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাত ভাঙার বিষয়ে তাকে এক্স-রে করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখন তিনি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ১৫ শত শ ঘ স ন দ?
১৫ শত শ ঘ স ন দ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ১৫ শত শ ঘ স ন দ matter?
১৫ শত শ ঘ স ন দ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.