Education

নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুল / সাফল্যের হাসির আড়ালে অসংখ্য শিক্ষার্থীর চাপা কান্না

og_1786549850_6a7c965a25d30

নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলে ২১৯ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার রহস্য

Bangladailypost.com – ন ছ ম ক দ র ম – নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলে শিক্ষার্থীদের ভাগ্যে কী ঘটেছে? ২০২৪ সালে নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করা ৬০১ জনের মধ্যে ২১৯ জন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা হতবাক। স্কুলের কৌশলগত পদ্ধতিতে অনেক শিক্ষার্থী বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

নির্বাচনি পরীক্ষার কাঁটা

রাকিব ও সাকিব (ছদ্মনাম) ছিল নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলের দুই বন্ধু। উভয়েই একই বছর নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেছিল। রাকিব এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে হাসিমুখে আছে, কিন্তু সাকিবের পরিবারে এখন কান্না। কারণ, সাকিব নির্বাচনি পরীক্ষায় পাস করতে না পেরে বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

ঢাকা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস্ থেকে ৬০১ জন নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। কিন্তু ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে মাত্র ৩৮২ জন। অর্থাৎ, নবম থেকে দশম শ্রেণি হয়ে এসএসসি পরীক্ষার বসার আগেই ২১৯ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।

স্কুলের কৌশল ও অভিভাবকদের অভিযোগ

অভিভাবক ও বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুল একটি কৌশলী পদ্ধতি অনুসরণ করে। প্রথমত, টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন অস্বাভাবিক কঠিন ও জটিল করা হয়। দ্বিতীয়ত, খাতা মূল্যায়নের সময় বোর্ড পরীক্ষায় ১০ নম্বর দেওয়া হলে, টেস্টের খাতায় শিক্ষকরা ৫ নম্বর দেন। এতে দুর্বল শিক্ষার্থীরা ঝরে যায় এবং শক্তিশালীরা বোর্ড পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পায়।

এই কৌশলে চার বছর ধরে স্কুলটি শতভাগ জিপিএ-৫ অর্জনের খ্যাতি কামিয়েছে। ২০১৭, ২০২২, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়েছে স্কুলটির শিক্ষার্থীরা। প্রতিবারই একই কৌশল অনুসরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্কুলের দাবি ও প্রতিরক্ষা

সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন,

ষড়যন্ত্রকারীরা এসব কথা বলেন। এটা নতুন নয়, আমাদের বিরুদ্ধে কয়েক বছর ধরে এ ষড়যন্ত্র চলছে। এসব কথা সত্য নয়।

তাঁর দাবি, ২০২৪ সালে নবম শ্রেণিতে ৬০১ জন শিক্ষার্থী ছিল। বার্ষিক পরীক্ষায় ৪৮৩ জন দশম শ্রেণিতে ওঠে। নির্বাচনি পরীক্ষায় ৩১৪ জন উত্তীর্ণ হয়। বাকি ১৬৯ জন বাদ পড়ে।

কামাল হোসেন আরও জানান, প্রথম দফার টেস্টে ১৬৯ জন এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করে। ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে ৬৮ জন উত্তীর্ণ হয়। বাকি ১০১ জন বাদ দেওয়া হয়। তিনি বলেন,

ডিসি একটি কমিটি করে দিয়েছিলেন। তারা আমাদের স্কুলে এসেও তদন্ত করে গেছেন। খাতা দেখে গেছেন। আমাদের কোনো ফল্ট (ত্রুটি) ধরা পড়েনি।

প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলে কতজন শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে? উত্তর: ২০২৪ সালে নবম শ্রেণিতে ভর্তি ৬০১ জনের মধ্যে ২১৯ জন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

প্রশ্ন: স্কুলের কৌশল কী? উত্তর: স্কুল টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন কঠিন করে এবং খাতা মূল্যায়নে কম নম্বর দিয়ে দুর্বল শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ে এবং শক্তিশালীরা জিপিএ-৫ পায়।

প্রশ্ন: স্কুলের দাবি কী? উত্তর: স্কুলের দাবি, বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা পুনরায় পরীক্ষায়ও ফেল করেছে এবং অভিভাবকরা অঙ্গীকার করে ভর্তি করিয়েছিল যে, ৩৩ শতাংশ নম্বর না পেলে পরীক্ষা দেওয়া হবে না।

প্রশ্ন: বোর্ডের অবস্থান কী? উত্তর: ঢাকা বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, নাছিমা কাদির মোল্লা স্কুলসহ বেশ কিছু স্কুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Frequently Asked Questions

What is ন ছ ম ক দ র ম?

ন ছ ম ক দ র ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ন ছ ম ক দ র ম matter?

ন ছ ম ক দ র ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *