Economy

অনিয়মের ধাক্কায় ছোট হচ্ছে খাত, বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

অন য়ম র ধ ক ক য় - দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিশ্চয়তা, প্রতারণা এবং আমানত ফেরত দিতে অক্ষমতার কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। অধিকাংশ

Desk Economy
Published August 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com
Table of Contents
  1. অনিশ্চয়তা ও জালিয়াতির কারণে এনবিএফআই খাতের সংকট গভীর হচ্ছে
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

অনিশ্চয়তা ও জালিয়াতির কারণে এনবিএফআই খাতের সংকট গভীর হচ্ছে

Bangladailypost.com – অন য়ম র ধ ক ক য় – দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিশ্চয়তা, প্রতারণা এবং আমানত ফেরত দিতে অক্ষমতার কারণে দেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান ১০ শতাংশের বেশি সুদ হার প্রস্তাব করেও নতুন গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে পারছে না। এর ফলে আমানত ও ঋণ—উভয় ক্ষেত্রেই স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

বন্ধের প্রক্রিয়ায় পাঁচ প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, মোট পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এগুলো হলো—পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, আভিভা ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আমানত বীমা ব্যবস্থায় একজন আমানতকারী সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পান। নতুন ব্যবস্থায় কারা এই সুবিধা পাবেন, সে বিষয়ে আলাদা নীতিমালা ঘোষণা করা হবে।

আর্থিক অবস্থান ও ঝুঁকি

বন্ধ হতে যাওয়া পাঁচ প্রতিষ্ঠানের মোট আমানত প্রায় ১৩ হাজার ৩০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে আমানত প্রায় ৩ হাজার ৩ কোটি টাকা। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের দায় রয়েছে ২ হাজার ২০২ কোটি টাকা।

সংকট শুধু এসব প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নয়। আরও চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সময় দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। উন্নতি না হলে সেগুলোও একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আমানত ও ঋণের পরিসংখ্যান

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা তিন মাস আগে ছিল ৫১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। উচ্চ সুদ দেওয়ার পরও আমানতের এই সামান্য বৃদ্ধি মূলত সুদ যোগ হওয়ার ফল, নতুন আমানত প্রবাহ খুবই সীমিত।

একই সময়ে ঋণ বিতরণও কমেছে। মার্চ শেষে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণ স্থিতি নেমে এসেছে ৭৮ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, যা ডিসেম্বর শেষে ছিল ৭৮ হাজার ৮২৯ কোটি টাকা। নতুন ঋণ বিতরণ কমে যাওয়ার আদায় হওয়া অর্থের বড় অংশ পরিচালন ব্যয় মেটাতেই ব্যয় হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পরিদর্শনে উঠে এসেছে, অনেক প্রতিষ্ঠানে অনিশ্চয়তা ও জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের ঋণ বের করে নেওয়া হয়েছে। এর প্রভাবেই আমানতকারীদের আস্থা কমেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা অর্থ ফেরতের দাবিতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

Frequently Asked Questions

What is অন য়ম র ধ ক ক য়?

অন য়ম র ধ ক ক য় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does অন য়ম র ধ ক ক য় matter?

অন য়ম র ধ ক ক য় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment