International

হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের পাহারাধীন ২ জাহাজে হামলা চালালো ইরান

হরম জ প রণ ল ত য - কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টাকালে মার্কিন সামরিক বাহিনীর 'আকাশসুরক্ষা' বা বিমান পাহারা থাকা দুটি তেল

Desk International
Published July 31, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Sandra Rodriguez - bangladailypost.com

ইরানের সামরিক বাহিনীর দাবি, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন পাহারায় থাকা দুই ট্যাংকারে আঘাত

Bangladailypost.com – হরম জ প রণ ল ত য – কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টাকালে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘আকাশসুরক্ষা’ বা বিমান পাহারা থাকা দুটি তেল ট্যাংকারে আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং হরম জ প রণ ল ত য এর কৌশলগত গুরুত্ব আবারও বিশ্বের নজরে এনেছে।

নির্দেশনা অমান্যের পর আঘাত

আইআরজিসি-এর দাবি অনুযায়ী, তাদের নির্দেশনা অমান্য করা ওই তেল ট্যাংকার দুটিতে আঘাত হেনে সেগুলোর গতি থামিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর ওই রুট দিয়ে যাওয়া আরও চারটি তেল ট্যাংকার তাদের চলাচলের পথ দ্রুত পরিবর্তন করে ও পেছনের দিকে পূর্বের অবস্থানে ফিরে যায়।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথগুলোর একটি, যেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার ব্যারেল তেল পরিবহন হয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অতিক্রম করে। তাই এই প্রণালিতে কোনো সংঘাত বা বাধা সৃষ্টি হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিকে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে।

ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বিরাজমান। সাম্প্রতিক সময়ে এই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। হরম জ প রণ ল ত য এ এই নতুন ঘটনাটি সেই উত্তেজনারই একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি ইরানের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা যে তারা তাদের অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম।

আইআরজিসি-এর দাবি অনুযায়ী, তাদের নির্দেশনা অমান্য করা ওই তেল ট্যাংকার দুটিতে আঘাত হেনে সেগুলোর গতি থামিয়ে দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

এই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সতর্ক নজর রাখছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহনকারী দেশগুলো তাদের জাহাজগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও তাদের সামরিক উপস্থিতি এই অঞ্চলে বৃদ্ধি করার ঘোষণা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়, তবে হরম জ প রণ ল ত য এ তেলের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য ইতিমধ্যেই উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনাটি সেই প্রবণতাকে আরও তীব্র করতে পারে।

ইরানের সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, তারা তাদের অঞ্চলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তারা দাবি করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজগুলো তাদের নির্দেশনা মেনে চললে কোনো সমস্যা হবে না। তবে যদি তারা আবারও তাদের নির্দেশনা অমান্য করে, তবে ইরান প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে এই নতুন উত্তেজনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এই পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করছে। ভবিষ্যতে এই প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন কতটা নিরাপদ হবে, তা সময়ের সাথে সাথে পরিষ্কার হবে।

Leave a Comment