Education

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহজাহান ওএসডি

শ ক ষ প রক শল অধ - শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) প্রধান কার্যালয়ে চলতি দায়িত্বে থাকা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শাহজাহান আলীকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

Desk Education
Published July 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে পদাধিকারিকদের বদলি

Bangladailypost.com – শ ক ষ প রক শল অধ – শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) প্রধান কার্যালয়ে চলতি দায়িত্বে থাকা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শাহজাহান আলীকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তাকে প্রধান কার্যালয়ের পরিকল্পনা ও রক্ষণাবেক্ষণ শাখার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার স্থলে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন মো. আলী ইমাম, যিনি ইইডির চট্টগ্রাম সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ছিলেন। রোববার (২৬ জুলাই) তার নতুন পদে যোগদান করার কথা রয়েছে।

পদাধিকারিকদের পদোন্নতি ও বর্তমান পরিস্থিতি

গত ২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উন্নয়ন-৩ অধিশাখার উপসচিব এ এস এম শাহরিয়ার জাহানের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই পদাধিকারিকদের বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পাঁচজন নির্বাহী প্রকৌশলীকে পদোন্নতি দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী করা হয়েছিল। পদোন্নতির ওই আদেশে চার নম্বরে ছিলেন শাহজাহান আলী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইইডি সূত্র জানায়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মোট পদ ১২টি। ৯টি সার্কেলে ৯টি এবং প্রধান কার্যালয়ের তিন অধিশাখায় তিনটি পদ রয়েছে। সে সময় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দুটি পদ শূন্য ছিল। অথচ পদোন্নতি পান পাঁচজন। পদ ফাঁকা না থাকলেও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে শাহজাহানসহ তিনজনকে পদাধিকারিক করা হয়েছিল। তখন এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল।

এদিকে, শাহজাহান আলীকে ওএসডি করার ঘটনায় অধিদপ্তরের অভ্যন্তরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। তার অনুসারী হিসেবে পরিচিত কর্মকর্তারাও বদলি আতঙ্কে দিন পার করছেন। ইইডি মূলত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার সঙ্গে বেশি কাজ করে থাকে। এ দুটি শাখার দুজন কর্মকর্তা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়নকাজের ফাইল আটকে ইইডির কয়েকজন কর্মকর্তা অনৈতিক সুবিধা নিতেন। বেশ কয়েকটি অভিযোগ শিক্ষামন্ত্রীর কাছেও আসে। সেখানে শাহজাহান আলীরও নাম ছিল।

আমি সরকারি চাকরি করি। আগে যারা সরকারে ছিলেন, তাদের সঙ্গে ছবি থাকার বিষয়টি ব্যক্তিগত নয়, বরং সরকারি প্রোটোকলের কারণে তোলা হয়েছে। কোনো জেলার কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলীকে ওই জেলার মন্ত্রীর সফর থাকলে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে যেতে হয়। সেভাবে আমিও গিয়েছি। তখনকার তোলা ছবি ব্যবহার করে একটি মহল কুৎসা রটাইচ্ছে।

শাহজাহান আলী আওয়ামী লীগের আমলেও সুবিধাভোগী ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির বিভিন্ন মন্ত্রী ও এমপির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। তাদের সঙ্গে ছবি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়েও তার প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন অনেকে। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে শাহজাহান আলী জানান, তিনি সরকারি প্রোটোকল মেনেই বিভিন্ন মন্ত্রীর সফরে অংশ নিয়েছেন। যোগাযোগ করা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানান, বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কেউ অনিয়মে জড়ালে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

Leave a Comment