Economy

চীনা ঋণেই হচ্ছে আখাউড়া-সিলেট ডুয়েলগেজ লাইন

চীনা ঋণে পুনরায় চালু হচ্ছে আখাউড়া-সিলেট ডুয়েলগেজ প্রকল্প চ ন ঋণ ই হচ ছ আখ - আখাউড়া-সিলেট রেলপথের ডুয়েলগেজ প্রকল্প আগে থেকে চীনের অর্থায়নের আশা ধরেছিল।

Desk Economy
Published July 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

চীনা ঋণে পুনরায় চালু হচ্ছে আখাউড়া-সিলেট ডুয়েলগেজ প্রকল্প

Bangladailypost.com – চ ন ঋণ ই হচ ছ আখ – আখাউড়া-সিলেট রেলপথের ডুয়েলগেজ প্রকল্প আগে থেকে চীনের অর্থায়নের আশা ধরেছিল। তবে প্রকল্পের আগ্রহ ছিল চীনের সময় মাঝপথে ভারত এগিয়ে আসে। সেখানে হিসাব মেলে না করে প্রকল্পটি অন্ধকারে চলে যায়। এক দশক সময় পর চীন আবার প্রকল্পটি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয় এবং অর্থায়ন করতে আগ্রহ প্রকাশ করে।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি ২৯ তারিখে রেলমন্ত্রী সভাপতিত্বে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা সভায় প্রকল্পটি এডিপি থেকে বাদ দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠকে চীন সরকারের অর্থায়নে গ্রহণের বিষয়ে নীতিগত সম্মতি প্রদান করে। নতুন করে ঋণ দেওয়া হয়েছে চীন। সেই সিদ্ধান্তের ফলে প্রকল্পটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয়।

প্রকল্পের বিস্তার এবং অর্থায়ন

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রস্তাবনায় এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ১১০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। চীনের কাছ থেকে প্রায় ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বা ১২৭ কোটি ২৯ লাখ ডলার ঋণ চাওয়া হয়েছে। প্রকল্পে মোট ২৩৯ দশমিক ১৪ কিলোমিটার মিটারগেজ রেলপথ ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হবে। তার মধ্যে ১৭৬ দশমিক ২৪ কিলোমিটার মূল রেলপথ ও ৬২ দশমিক ৯০ কিলোমিটার লুপ লাইন রয়েছে। এ রেলপথের ডিজাইন স্পিড ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার হিসাবে ধরা হয়েছে।

“অর্থায়নের অভাবে প্রকল্পটি এডিপি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তবে চীনের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করার পর প্রকল্পটি পুনরায় এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।” – রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা অনুবিভাগ) শেখ সাকিল উদ্দিন আহমদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি বছরের জুন মাসে চীন সফর করেন। দুই দেশের মধ্যে উন্নয়ন ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তার জন্য চীন সমঝোন স্থাপন করে। তবে চীনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নেগোসিয়েশন কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। আগে থেকে এ প্রকল্পের আলোচনা শুরু হয় ২০১৬ সালে। তখন চীন অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু পরে ভারত আগ্রহ দেখানোয় কিছুটা দোলাচল তৈরি হয়। ইরকন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড (ইরকন) মাধ্যমে অর্থায়ন নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেয়। তবে প্রকল্পটি পুনরায় এডিপি থেকে বাদ দেওয়া হয়।

বর্তমানে চীনের সঙ্গে অর্থায়নের নিশ্চয়তা মিলেছে। ফলে প্রকল্পটি প�

Leave a Comment