সবাই তাকে ‘লিও’ বলে জানে না কেন?
প থ ব র য জ য়গ – পৃথিবীর যে স্থান থেকে শুরু হয় এমন একটি ইতিহাস, সেখানে ছিল সাধারণ একটি বাড়ি, সরু একটি রাস্তা আর শৈশবের ছোট্ট হাসি। সেই বাড়িটি কোটি মানুষের মনে জাগানোর কারণে বিশ্বজুড়ে সার্বিক মূল্য পেয়েছিল মেসিকে।
আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরের লাভালেখা নম্বর ৫২৫ এর ঘরটি তার জন্ম স্থান। সেখানে শুধুমাত্র লিও বলে তাকে পরিচয় দেয় আশপাশের মানুষ। কিন্তু বিশ্বকাপের ইতিহাসে তার নাম অনন্য হয়ে ওঠে।
ফুটবলের নতুন যুগের শুরু
১৯৮৭ সালের ২৪ জুন মেসি জন্ম নেন। তার জন্ম হয়েছিল ইংল্যান্ডকে পরাজিত করার সেই বিশ্বকাপ ম্যাচের ঠিক ৩৬৭ দিন পর। আর পাঁচ দশক পর ইতিহাস আবার নতুন শুরু করে সেই ইংল্যান্ডকে তিনি হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছিলেন।
“আমি লিওকে বড় হতে দেখেছি।” পাবলো বলেন, মেসির বাড়িতে দেখা হয় তাঁর সঙ্গে। তিনি ছোট্ট একটি সাইকেলে ছেলেকে নিয়ে চলে ছিলেন, দুজনের গায়েই ছিল লিওনেস দে রোজারিও ক্লাবের জার্সি।
পাবলো বলেন, মেসির বড় ভাই রদ্রিগো ও মাতিয়াসের সাথে তিনি বাল্যকালে খেলেছিলেন। মেসির পরিবারের কাছে কাজ করতে সেই জার্সি তাঁর সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। এমনকি বাড়ি থেকে কিছু দূরে রয়েছে লা বাজাদা মাঠটি, যেখানে তিনি শিশু হয়ে আপন খেলনার গুণ দেখানো শুরু করেছিলেন।
“আমি ছোটবেলা থেকেই বুঝতাম, সে আমাদের সবার চেয়ে আলাদা।” পাবলো আবার স্মরণ করে বলেন। তাঁদের বয়স ১৫ এর পরে লিওর বয়স ছিল সাত বছর। দল ভাগ করার সময় তাঁরা একই দলে তাকে নিয়ে আসত।
পাবলো আরও বলেন, ছেলেটি মাটিতে পড়লেও আবার আপন বল কেড়ে নেয়। তখন রাগে মনে হতো, আরেকবার ধাক্কা দিই। যে সামান্য পাড়াটি আজও এমন মনে হয় যেন অপরিবর্তিত আছে। মেসির একমাত্র ভাই রদ্রিগো ও মাতিয়াসের বাড়ি থেকে কয়েক পদক্ষেপ দূরে রয়েছে সেই সাইকেল চালানো মানুষটি।
বিশ্বজুড়ে তিনি কিংবদন্তি হিসেবে পরিচিত, সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে অনুমোদিত। কিন্তু তার সামনে সবাই এখনও সেই ছোট্ট লিও মানুষটাকে দেখছে।