ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপের শুরুতে কোনো বাধা হয়নি
এভ ব হ র ব দ য় – ফ্রান্স দলটি বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব থেকে কোনো প্রতিপক্ষকে ধুমড়ে দিয়ে সেমিফাইনালে উপনীত হয়েছিল। গ্রুপ পর্বে সেনেগাল কাটিয়ে ইরাক এবং নরওয়ে দুই দল পরাজিত করে এটি রাউন্ড অব-৩২ এ শীর্ষ দুই স্থানে পৌঁছেছিল। সুইডেনের বিরুদ্ধে খেলায় তাদের গোলপ্রাণ প্রতিযোগিতা প্রদর্শন করে এই ম্যাচে একটি প্রমাণ সৃষ্টি করে।
লিওনেল মেসির পেছনে রাউন্ড অব-৩২ এর পর কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের স্বাক্ষর রয়েছে কিলিয়ান এমবাপে এবং ওসমান ডেম্বেলের সাথে। এরপর প্যারাগুয়ে ও মরক্কো দুই দলের সামনে সেমিফাইনালে উঠে আসে দলটি। যেখানে স্পেন স্বাক্ষর করে তাদের সম্মুখীন হয়।
কোচ দিদিয়ের দেশম বলেছেন, “আমাদের খেলোয়াড়রা বিধ্বস্ত। তবে বাস্তবতা মেনে নিতে হবে—প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমরা স্পেনের চেয়ে পিছিয়েছিলাম। এটা আমাদেরই দোষ।” এই ম্যাচে স্পেন আমাদের চেয়ে বাড়তি কিছু দেখিয়েছে এটা স্বীকার করে নিলেন দেশম।
টুর্নামেন্টের গোলপ্রাণ প্রতিযোগিতা
বিশ্বকাপে একটি ম্যাচই ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা খারাপ খেলেছিলো, যেটি সেমিফাইনালে এসে। ওসমান ডেম্বেলে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করে তাদের মুখে স্পেন দলকে জানান দিয়েছিলেন তিনি কেন ব্যালন ডি’অর জয়ী। পিএসজিকে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন তিনি।
বায়র্ন মিউনিখের অংশ মাইকেল ওলিসে ফ্রান্স দলকে ভয়ঙ্কর হিসেবে উপস্থাপন করছিলেন সবার সামনে। দিদিয়ের দেশম বলেছেন, “প্রযুক্তিগত দিক থেকে আমরা স্পেনের চেয়ে পিছিয়েছিলাম। এটা আমাদেরই দোষ।”
ফ্রান্সের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপের শুরুতে কোনো বাধা হয়নি। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন তাদের সম্মুখীন হয়েছিল এবং এই ম্যাচে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার স্বপ্ন হেরে ভেঙে যায়। একমাত্র গোলে ফ্রান্স প্যারাগুয়েকে হারায় এমবাপে।
ফ্রান্স কোচ ম্যাচ শেষে নিজেদের হতাশার কথা ঢাকতে পারেননি। তারা ভাবতেই পারেনি এভাবে হেরে বিদায় নেবে। কিলিয়ান এমবাপে ও ওসমান ডেম্বেলেকে কোনোভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি স্পেনের বক্সে। এমবাপে দু-একটি শট নিয়েছিলো, ডেম্বেলেকে তো দেখাই যায়নি।
ফ্রান্স দলের খেলোয়াড়দের মনে আত্মবিশ্বাস জন্ম নিয়েছিল খুব বেশি। কিন্তু স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এমবাপে এবং ডেম্বেলেকে আটকানোর পরিকল্পনা করেছিলেন, যাতে তারা বল নিয়ে ঢুকতে পারেনি স্পেনের বক্সে। ফ্রান্সের সুযোগ দ