ক্যাম্প থেকে নেমেছে পানি, ফিরছেন রোহিঙ্গারা
ক য ম প থ ক ন – কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিম্নাঞ্চলে ঘটা জলাবদ্ধতা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে গেলে বসতঘরগুলো থেকে পানি সরে গেছে। সেই কারণে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিলেন কয়েক শ পরিবার এখন নিজ নিজ আশ্রয়কেন্দ্রে ফিরেছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) ও মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উখিয়া ও টেকনাফে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়নি। তবে মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টি ঘটলেও এটি কোনো প্রভাব ফেলেনি। রোহিঙ্গা ক্যাম্প সূত্র থেকে জানান যে, ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বসতঘরে পানি ঢুকেছিল। এজন্য নিরাপত্তার জন্য কয়েক দিন দুই থেকে তিন দিন উঁচু স্থানে অবস্থান করতে হয়েছিল।
‘কয়েক দিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টি হওয়ায় ক্যাম্পের নিম্নাঞ্চলে বসতঘরগুলো জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। ঘরের ভেতরেও পানি ঢুকে যায়। সে কারণে নিরাপত্তার জন্য দুই থেকে তিন দিন উঁচু স্থানে অবস্থান করেছি। তবে সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিন বৃষ্টি কম হওয়ায় পানি সরে গেছে। আবার ঘরে ফিরেছি। যদিও আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভিজে নষ্ট হয়েছে।’ – টেকনাফের জাদিমুড়া ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ আবছার
বালুখালি ক্যাম্পের বাসিন্দা নাজিম উল্লাহ বলেন, বৃষ্টির কারণে ঘরে পানি ঢুকেছিল। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। এখন পানি সরে যাওয়ায় আবার নিজ ঘরে ফিরেছি। তবে অনেক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলো এখন মেরামত করতে হচ্ছে।
‘টানা বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। সন্তানদের নিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। এখন পানি নেমে যাওয়ায় আবার নিজ ঘরে ফিরেছি। তবে ঘরের মেঝে এখনও ভেজা। অনেক আসবাবপত্র নষ্ট হয়েছে।’ – কুতুপালং ক্যাম্পের ছৈয়দ আলম
টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ সিনিয়র সহকারী সচিব খানজাদা শাহরিয়ার বিন মান্নান জানান, টানা বৃষ্টির কারণে নিম্নাঞ্চলে পানি জমে জলাবদ্ধতা ঘটেছিল। বৃষ্টি কমে গেলে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। যারা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছিল তারা আবার নিজ আশ্রয়কেন্দ্রে ফিরেছে। ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম/এসজেডএইচ/জেআইএম