লাল কার্ড ঘটনার প্রতিক্রিয়া ও ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ
ল ল ক র ড ট র – যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন জানান যে তার এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ফিফা স্থগিত করার বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দলের মনোযোগে প্রভাব ফেলেছিল। তিনি মন্তব্য করেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ তার বিষয়টিতে ব্যাপক আলোচনার কারণ হয়ে উঠেছিল।
বালোগুনের লাল কার্ড বিষয়টি বিশ্বজুড়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল, যখন জানা গেল যে ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোকে যোগাযোগ করেছিলেন এবং নিষেধাজ্ঞার পুনর্বিবেচনার জন্য আপত্তি পেশ করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র বিপক্ষে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার ম্যাচে বালোগুন লাল কার্ড পান। তবে নিয়ম অনুযায়ী তিনি শেষ ষোলোর ম্যাচে খেলতে পারতেন না।
ম্যাচের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হয়। এই সিদ্ধান্তে পক্ষপাতিত্ব ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠে আসে। তিনি মন্তব্য করেন, এরপর যুক্তরাষ্ট্র বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে খেলতে বাধ্য হন।
বালোগুনের মন্তব্য ও আপত্তি
“প্রথম প্রতিক্রিয়ায় আমি খুশি ছিলাম যে আবার দলে ফিরতে পারছি। কিন্তু বিষয়টি ভাবতে গিয়ে বুঝলাম যে এটি বিতর্কের জন্ম দেবে।”
বালোগুন আরও বলেন, তার সাথে খেলোয়াড়দের মধ্যে কিছু স্নায়ুচাপ দেখা যায় ছিল, কারণ এমন ঘটনা ব্যতিক্রমী। তিনি যতটা সম্ভব খেলায় মনোযোগ দিয়েছেন বলে জানান, কিন্তু বাইরের আলোচনা ও চাপ থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র দল বালোগুনকে ছাড়ায় অনুশীলন করেছিল এবং তিনি দলের মনোবল ধরে রাখার জন্য স্থান নিয়েছেন। এই ঘটনাটি হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানির বক্তব্যের কয়েক দিন পর ঘটেছে।
জুলিয়ানির সমর্থন ও বিশ্লেষণ
জুলিয়ানি স্বীকার করেন যে লাল কার্ড বিষয়টি খেলোয়াড়দের মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তার দাবি, বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে, তাই খেলার ন্যায্যতা নিশ্চিত করাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।
ডেইলি মেইল কর্তৃক জানানো হয় যে ঘটনাটি মরিসিও পচেত্তিনোর দলের মনোযোগকে ব্যাঘাত করেছিল কিনা। জুলিয়ানি উত্তরে বলেন, “সম্ভবত হ্যাঁ।” বসনিয়ার খেলোয়াড় তারিক মুহারেমোভিচের সাথে বলের লড়াইয়ে বালোগুন সরাসরি লাল কার্ড পান। তিনি প্রতিপক্ষের পায়ের পেছনে পড়ে যান এবং পায়ের পেছনের অংশ ও গোড়ালিতে আঘাত পান।