উচ্চশিক্ষায় এআই দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: ইউজিসি সদস্য
উচ চশ ক ষ য় এআই দক – উচ্চশিক্ষার পরিবর্তন করতে এআই দক্ষতা আর বিকল্প নেই বলে ইউজিসি সদস্য ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন উল্লেখ করেন। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত এআই সম্পর্কিত সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান যে এআই গবেষণা ও উদ্ভাবনের পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাধ্য করা হচ্ছে। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের এআই সম্পর্কিত নীতি ঘোষণা ও সিএসই সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল হোসেন আজম।
এআই দ্বারা শিক্ষার গতিবিধি পরিবর্তন হবে
অধ্যাপক ড. মামুন জানান, “এআই শিক্ষার বিশ্বব্যাপী গতিবিধি পরিবর্তন করছে। বর্তমানে দুটি উপাদান আমাদের জন্য সাধারণ হয়ে গেছে। দুটি উপাদান হলো এআই দ্বারা গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং সে দ্বারা জ্ঞান সৃষ্টি।” তিনি জানান যে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাবে শিক্ষার ক্ষেত্রে এআই হাজির হয়েছে যা দক্ষতা ও উন্নয়ন গড়ে তুলতে সাহায্য করছে। এআই ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠ্য পরিবর্তন, দক্ষতা গুণগত উন্নয়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হচ্ছে।
উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠানগুলো এআই গ্রহণের কাজে ব্যস্ত
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ও সিএসই সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন। অধ্যাপক ড. মামুন প্রস্তাব দেন যে এআই শিক্ষার গুণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে। তিনি আরও বলেন যে এআই শিক্ষার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অবশ্যই নতুন কৌশল অবলম্বন করতে হবে। এআই কৌশলগুলো প্রাথমিক গুরুত্ব পেয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করতে সম্মতি দিয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এআই ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রকৌশল সম্পর্কিত প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। এআই দ্বারা শিক্ষার ব্যবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পরিবেশ তৈরি করছে। তিনি আরও জানান যে এআই ব্যবহার করে সময় সংরক্ষণ করা যায় এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সহজ হয়ে ওঠে। এআই নতুন শিক্ষা কৌশলের প্রতিটি পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এআই নীতি ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে সাহায্য করা। ড. মামুন উল্লেখ করেন যে দুটি মুখ্য কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। এ দুটি মুখ্য কৌশল হলো অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা। এআই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সব ধরনের সমাধান খুঁজে পাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে উৎসাহী হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুর