যাত্রাবাড়ী ও উত্তরায় বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৩৭ জন অপরাধী
য ত র ব ড় ও উত – রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও উত্তরার স্থানীয় এলাকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৭ জনকে গ্রেফতার করেছে। এ তথ্যটি শনিবার (১১ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী ঘোষণা করেন। তিনি জানান যে এই অভিযানে হেফাজত থেকে স্টিলের চাপাতি এবং চাকু উদ্ধার করা হয়। যাত্রাবাড়ী ও উত্তরার অভিযানে অপরাধীদের হাত থেকে সামগ্রী উদ্ধার করার সাথে সাথে তাদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণ হার্জে করা হয়। এ অভিযানটি অপরাধ কমানো এবং পুলিশ ক্ষমতার প্রমাণ করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
অভিযানের বিশদ তথ্য
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ঘোষণা করেন যে শুক্রবার (১০ জুলাই) তাদের এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অপরাধীদের তালিকা হলো: উজ্জ্বল শেখ (৩১), মো. ওসমান আলী (২২), মো. সোহান হাওলাদার (২৮), মো. রিফাত (২১), মো. তাহসীন ইসলাম ওরফে সুলতান ওরফে মুয়ান্না (১৯), মো. মঞ্জুরুল আলম শিমুল (২২), মো. তানভির (১৯), মারুফ আহম্দে অন্তর (২০), মো. সোহাগ (২৫), মো. জুয়েল (৩৫), মো. আরিফুল ইসলাম (৩৬), মো. অকিন (৩৯), মারুফ (২০), মো. অন্তর (২০), মো. রহিদুল ইসলাম (২০), মো. রাব্বি (২৩) এবং ১৭ জন অপরাধী। অভিযানে তাদের হেফাজত থেকে স্টিলের চাপাতি এবং চাকু উদ্ধার করা হয়।
উত্তরা পশ্চিম থানার বরাত দিয়ে নিয়াজ মেহেদী বলেন, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরার অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত ১৭ জন অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের তালিকার মধ্যে রয়েছে নিয়মিত মামলার আসামি এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত অপরাধী। তিনি জানান যে গ্রেফতারদের মধ্যে কিছু ব্যক্তি সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। এ অভিযানটি রাজধানীর স্থানীয় পুলিশ বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত হয়।
যাত্রাবাড়ী ও উত্তরার অভিযানটি সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশ কমিশনার হিসাবে আরও বেশি সংখ্যক অপরাধী গ্রেফতার করার আশা করা হচ্ছে। তিনি জানান যে এ অভিযানে সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে যা অপরাধের বিপর্যয় ঘটানোর জন্য ব্যবহার করা হত। স্টিলের চাপাতি এবং চাকু গ্রেফতার করা হয়েছে যাতে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি প্রতিরোধ করা যায়।
গ্রেফতারদের মধ্যে আসামি এবং অপরাধী আদালতে পাঠানো হয়েছে। যাত্রাবাড়ী ও উত্তরার অভিযানটি শেষ করার পর তাদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা প্রক্রিয়াক্রমে চালু করা হবে। এ অভিযানে গ্রেফতার করা অপরাধীদের মধ্যে রয়েছে মানুষ ও মানসিক ভাব সম্পর্কে বিশেষ করে অপরাধ বাড়ানোর দায়িত্ব দেওয়া ব্যক্তিরা।