হাইড্রেশন বিরতিকে কাজে লাগিয়ে কোটি কোটি ডলার আয়
হ ইড র শন ব রত ক – বিশ্বকাপ এখন চূড়ান্ত আটটি দলের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার স্তরে উঠে আসেছে। আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কে শিরোপা অর্জনের লক্ষ্যে দলগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এতে কোটি কোটি ডলার আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যেটি মূলত হাইড্রেশন বিরতির নীতির ফলে।
গত এক মাসের বেশি সময় ব্যয় করে কোটি কোটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার মধ্যে স্মরণীয় মুহূর্ত সৃষ্টি হয়েছে, যার সাথে সাথে নতুন কোটি কোটি ডলার আয় প্রাপ্ত হয়েছে। তবে আলোচনার মধ্যে একটি বিষয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিতর্কের উৎস হয়েছে- বিতর্কিত হাইড্রেশন বিরতি নীতি।
এই বিরতি যেন শারীরিক গরমে খেলোয়াড়দের জন্য পানির ঘাটতি পূরণের জন্য একটি ব্যবস্থা। তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে বিতর্কের সূত্রে এটি অপ্রয়োজনীয় বা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া বলে মনে হয়। খেলা যখন ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
ফক্স স্পোর্টসের পক্ষে এই নীতি সোনার খনি হয়ে উঠেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রে ইংরেজি ভাষায় বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য প্রায় ৪৮৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল। হাইড্রেশন বিরতির ফলে প্রতি ম্যাচে ২৬০ সেকেন্ডের অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন বিক্রির সুযোগ হয়েছে। গ্রুপ পর্বে এই বিজ্ঞাপন থেকে ফক্স প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে দাবি রয়েছে।
ফিফা দাবি করতে পারে যে এই নীতি কেবল খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করেই নেওয়া হয়েছে।
আয়ের সাথে সাথে এই বিরতি কোটি কোটি ডলার বিক্রির একটি ক্ষমতা হয়েছে। তবে স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের অনেকে মধ্যার্ধের বিরতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিজ্ঞাপনের মূল্য নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছে। পুরো টুর্নামেন্টের সময় হাইড্রেশন বিরতির মাধ্যমে একটি আয়ের প্রতিষ্ঠান হিসেবে একটি ধরনের প্রতিষ্ঠা হয়েছে।