News

বিশ্বে রেমিট্যান্স আহরণে অষ্টম বাংলাদেশ, শীর্ষে ভারত

cc232c58-308b-4693-8a4f-1f2671937e43-0

বিশ্বে রেমিট্যান্স আহরণে অষ্টম বাংলাদেশ, শীর্ষে ভারত

Bangladailypost.com – ব শ ব র ম ট য – বাংলাদেশ ও ভারত এ বছর বিশ্বের রেমিট্যান্স আহরণের বিষয়ে প্রধান চর্চা হয়েছে। জাতিসংহার অভিবাসন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ রেমিট্যান্স আহরণে সর্বোচ্চ হিসাবে অষ্টম স্থান অর্জন করেছে। এটি আইওএম রিপোর্টে অবস্থান করেছে কারণ সেখানে বাংলাদেশের স্থান আগের বছরের তুলনায় স্থিতিশীল হয়েছে, যখন এর আগে দেশটি রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রতিবেদনগুলোতে ক্রমাগত কমে আসছিল। যেমন ২০২০ সালে বাংলাদেশের স্থান ছিল সপ্তম, কিন্তু ২০২৪ সালে এটি আট হয়েছে। রেমিট্যান্স আহরণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রমাণ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যেহেতু এটি দেশের জনগণের সম্পদ ও জীবিকা নিরাপত্তা গড়ে তুলেছে।

বিশ্বের শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী দেশগুলি

আইওএম রিপোর্টে ভারত বিশ্বের প্রথম স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ আহরণের দেশের তালিকায় সর্বোচ্চ হিসাবে অষ্টম স্থানে অবস্থান করেছে এবং এ দেশের মোট আয় বাংলাদেশের অনুমান হয়েছে কিন্তু ভারতের সংখ্যা স্পষ্টত দেখায় যে এটি প্রায় এক হাজার কোটি ডলার রেমিট্যান্স আহরণ করেছে। আইওএম বর্ণনা করে যে ভারত বার্ষিক রেমিট্যান্স প্রবাহে ১০০ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে, যা বিশ্বের অন্য কোন দেশের তুলনায় অনেক বেশি। মেক্সিকো এ তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যার আয় প্রায় ৬৭.৬৪ বিলিয়ন ডলার। এটি বিশ্বের প্রথম বছরে রেমিট্যান্স আহরণে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করেছে, যার সাথে ভারতের দ্বারা বাংলাদেশ পরিস্থিতি যথেষ্ট বিভিন্ন। রেমিট্যান্স প্রবাহে বাংলাদেশের আয় প্রতি বছর প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে, যা একটি মুক্ত ও নিরাপদ প্রবাহ সূচিত করে।

রেমিট্যান্স প্রবাহে বাংলাদেশের গুরুত্ব

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বিশ্বের রেমিট্যান্স প্রবাহে অনেক নির্ভরযোগ্য। এ বছর দেশটি আন্তর্জাতিক মাইগ্রেশন সংস্থা আইওএম রিপোর্ট অনুযায়ী রেমিট্যান্স আহরণে অষ্টম স্থান অর্জন করেছে যার পরিমাণ বিশ্বের প্রতি বছর প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার। রেমিট্যান্স একটি প্রধান আয়ের উৎস হিসাবে দেশটির প্রতি বছর প্রায় সর্বাধিক বৃদ্ধি দেখা গেছে। এছাড়া বাংলাদেশ প্রতি বছর আমদানি-নিরাপত্তা বিষয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে যার সাথে এটি এ রিপোর্টে প্রতিবেদন দেখায়। �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *