International

বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা, শীর্ষে কে?

og_1783408097_6a4ca5e1607a5

বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা তৃতীয় স্থানে রয়েছে

Bangladailypost.com – বসব স র সবচ য় অয গ – বিশ্বের বাসযোগ্য শহরের সবচেয়ে অযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করেছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ)। এই তালিকার অনুযায়ী ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী ও বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে। এই তালিকায় ১৭৩টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান স্থান ১৭১। গত বছরেও শহরটি সমান স্থানে ছিল। ইআইইউ তালিকা তৈরি করেছে মূলত হিউম্যান রিসোর্স বিভাগগুলোকে সহায়তার জন্য। প্রবাসী কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণে এই র‌্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শহরের যোগ্যতা নির্ধারণের ক্যাটাগরি

এই তালিকা স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং স্থিতিশীলতা—এই পাঁচটি ক্যাটাগরির ভিত্তিতে গঠিত। চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের মর্যাদা পেয়েছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। শহরটি টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষে রয়েছে। তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভিয়েনা ও মেলবোর্ন। উত্তর আমেরিকার একমাত্র শহর হিসেবে শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছে ভ্যাঙ্কুভার (৯ম)। মেগাসিটিগুলোর মধ্যে একমাত্র টোকিও (১০ম) শীর্ষ দশে রয়েছে।

বাসযোগ্যতার স্কোর কমে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু শহরে

সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের শহরগুলোর বাসযোগ্যতার স্কোর কমে গেছে। ইরানি ড্রোন হামলার পর মাস্কটের অবস্থান কমে ১২৩তম হয়েছে। এছাড়া দোহা, দুবাই এবং আবুধাবির মতো প্রতিষ্ঠিত শহরগুলোর র‍্যাংকিংও পিছনে পড়েছে। যানজট ও অপরাধ প্রবণতার কারণে বড় শহরগুলোর বাসযোগ্যতার স্কোর সাধারণত কমে যায়। ইআইইউ তালিকায় দামেস্ক এখনো সবচেয়ে নিম্ন অবস্থানে রয়েছে। শহরটির বর্তমান স্কোর ৩১ দশমিক ৬।

বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহরের তালিকার প্রকাশে ঢাকার অবস্থান পর্যালোচনা করা হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের প্রধান শহরটি রাজ্য ও স্থিতিশীলতার বিপর্যয়ে এগিয়ে আসেনি। এখনও ঢাকার স্কোর প্রতিটি নাগরিকের জন্য হাঁটা দূরত্বের মধ্যে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গণতন্ত্রের ঘাটতি এবং পরিবেশগত সমস্যা প্রভাব ফেলেছে।

চীন তালিকার উন্নতির দিকে এগিয়ে আছে

তালিকার উন্নতির দিকে চীন এগিয়ে আছে। সরকারি বিনিয়োগের ফলে দেশটির প্রতিটি শহরের স্বাস্থ্যসেবা খাতে স্কোর বেড়েছে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য ১৫ মিনিটের হাঁটা দূরত্বের মধ্যে চিকিৎসা সেবা পৌঁছানো লক্ষ্য নিয়েছে চীন। কিন্তু কর ফাঁকি দিতে চাওয়া পশ্চিমা নাগরিকদের আকর্ষণ করার সম্ভাবনা তাদের জন্য এখনো ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *