Country

নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড ন য় খ ল ত শ শ - ন য় খ ল ত শ শ - নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলায় এক পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ ও

Desk Country
Published July 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নোয়াখালীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

ন য় খ ল ত শ শ – ন য় খ ল ত শ শ – নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলায় এক পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় শাহাদাত (২৬) নামক আসামি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ পেয়েছেন। তিনি পাশাপাশি এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড বনাম দণ্ডপ্রাপ্ত হন। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক ফারজানা আকতার এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নোয়াখালী জেলার নাগরিকদের দৃঢ় স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের আহ্বান জাগিয়ে দেয়।

আসামি ও নিহতের সম্পর্ক স্পষ্ট

নিহত শিশু আসমা আক্তার হলেন বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামে মৃধা বাড়ির মাওলানা শাহজাহানের মেয়ে। এ মামলার প্রধান আসামি তার ছেলে বাবুল হোসেনের পুত্র শাহাদাত হলেন। মামলার স্থায়ী সহায়তা প্রদানকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সেলিম শাহী জানান, আসামি বাড়িতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পর শিশুটি শ্বাসরোধে হত্যা করেন এবং মৃতদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখেন। তদন্তে তিনি বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেন।

আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, শাহাদাত তার পরিবার ও বাড়ির সদস্যদের প্রতি দৃঢ় ভাবে আসামি হিসেবে চিহ্নিত হন। এ মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড দিয়ে নোয়াখালীতে ন্যায় বিচারের মূল্য প্রমাণিত হয়েছে। বিচারক ফারজানা আকতার বিবৃতিতে আসামি কার্যকর দণ্ড পাওয়ার সাথে সাথে তার পরিবারের প্রতি কোনও মাফ দেয়া হয়নি।

তদন্তের ক্রমবর্ধমান চাপ

মামলার প্রধান সাক্ষীদের বিবরণ অনুযায়ী, শিশুটি ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরে শাহাদাতকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয় এবং ঘটনার কয়েক দিন পর তার দেওয়া তথ্য বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তদন্তে আসামি স্বীকার করেন যে তিনি বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন এবং তার মৃত্যু ঘটানোর পর তার দেহ সেপটিক ট্যাংকিতে বিস্তারিত প্রমাণ প্রদান করেন। এ তথ্য দিয়ে মামলা প্রতিষ্ঠিত হয়।

নোয়াখালীতে তিনি নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর শিশুটির সাথে সম্পর্ক ছিল আসামির কাছে প্রমাণিত হয়। পরিবারের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে বাড়ি থেকে পরিত্যক্ত হওয়ার সময় তিনি আসামির কাছে তার বাপের আদেশে ঘটনা ঘটায়। তিনি নিজের কথা বলেন যে পরিবারের দ্বারা শিশুটির প্রতি কোনও সংশয় ছিল না।

মামলার প্রধান সাক্ষী অনুযায়ী, আসামি শিশুটির সাথে প্রথমে ঘটনা ঘটানোর পর তার মৃত্যু ঘটায়। তিনি আদেশ পাওয়ার পর থেকে সমাজে ন্যায় বিচারের বিষয়টি আলোচিত হয়। নোয়াখালীতে এ মামলায় আসামি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় যে ক্ষমতা আসামি তার বাপের কা�

Leave a Comment